প্রতিশ্রুতি খুঁজুন
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে পরিণত করা হবে
পর্যায়ক্রমে এক ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী ঢাকাকে প্রধান আঞ্চলিক শহরগুলোর সাথে যুক্ত করার লক্ষ্যে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক (বুলেট ট্রেন) সংযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে
মেট্রোরেল ও দূরপাল্লার পরিবহনে শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ও ৬০ বছরের অধিক বয়স্কদের জন্য বিশেষ ছাড়
পরিবহন করিডোরগুলোতে নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এবং স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নত করা হবে
প্রধান প্রধান আন্তঃনগর রুটে আরও অধিক সংখ্যক এক্সপ্রেস সার্ভিস চালু করা হবে
রেলওয়েকে জাতীয় পরিবহনের মেরুদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে প্রধান করিডোরগুলোতে বিদ্যুতায়ন ও ডাবল-লাইন নির্মাণ, দেশব্যাপী সমন্বিত নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোরেল ও আন্তর্জাতিক রেল সংযোগের মাধ্যমে রেল ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হবে
নদীবন্দরগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাড়িয়ে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনের জন্য নতুন টার্মিনাল তৈরি করা হবে
উপকূলীয় দ্বীপগুলোর সাথে মূল ভূ-খণ্ডের যোগাযোগ সহজ করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণসহ নতুন জাহাজ ও ফেরি চালু করা হবে
নির্দিষ্ট নদীপথগুলোকে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির 'ওয়াটার হাইওয়ে' ঘোষণা করে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশালসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক রিভার পোর্ট ও ইন্টারমোডাল টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে
বুড়িগঙ্গা, গোমতী, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনায় টানেল নির্মাণের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে
যানজট কমাতে এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত নিশ্চিত করতে নদীঘেঁষা শহরগুলোতে বৃত্তাকার জলপথ ও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে সকল যানবাহনকে বীমার আওতায় আনা হবে