প্রতিশ্রুতি খুঁজুন
গৃহস্থালি, শিল্প ও সরকারি-বেসরকারি খাতে এনার্জি অডিট চালু করা হবে এবং জ্বালানি-দক্ষ যন্ত্রপাতি ব্যবহারে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতার কারণসমূহ চিহ্নিত করে দেশীয় উৎস ও আমদানির মধ্যে বাস্তবসম্মত ভারসাম্য আনা হবে।
সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে সর্বোত্তম জ্বালানি মিশ্রণ নিশ্চিত করা হবে।
ক্যাপাসিটি চার্জসহ রেন্টাল ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তিসমূহ পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক ব্যয় হ্রাস এবং স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করা হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা এবং সঞ্চালন লাইন ২৫,০০০ সার্কিট কিলোমিটারে সম্প্রসারণ করা হবে
প্রশাসনিক সেবাসহ সকল রাষ্ট্রীয় ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার সেবার মান পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।
স্থাপত্য, ইঞ্জিনিয়ারিং, কনসালটেন্সি, স্বাস্থ্যসেবার মতো পেশাগত প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা করা হবে
পর্যটন, ভিসা সহজীকরণ, স্মার্ট লজিস্টিক হাবের জন্য একটি নতুন জাতীয় কৌশল এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
সেবাখাতকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্ভাবন এবং রপ্তানিমুখী শক্তিতে রূপান্তর করে দেশে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে
সব সেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স, ট্যাক্স সার্টিফিকেট, এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন এক জায়গায় প্রাপ্তির জন্য একটি ডিজিটাল সিঙ্গেল উইন্ডো গড়ে তোলা হবে
সৃজনশীল অর্থনীতির খাতগুলোর উন্নয়নে ১০ বছরের বিনিয়োগ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
ভিওআইপি, ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) মার্কেট ক্রমান্বয়ে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উন্মুক্ত করে দেয়া হবে